Summary
শব্দ একটি শক্তি, যা শ্রবণের অনুভূতি সৃষ্টি করে। শব্দ উৎপন্নের ঘটনা বোঝার জন্য কিছু কার্যকলাপ করা হবে।
প্রথম পরীক্ষা:
- উপকরণ: ধাতব পাত্র, দড়ি, লাঠি
- পদ্ধতি: পাত্রটি দড়ির সাহায্যে ঝুলিয়ে, লাঠি দিয়ে আঘাত করলে কম্পন অনুভব হবে। কিন্তু যদি পাত্রটি শক্ত করে ধরে রাখা হয়, তখন শব্দ শোনা যাবে না।
দ্বিতীয় পরীক্ষা:
- উপকরণ: স্টিলের থালা, চামচ, পানি
- পদ্ধতি: থালায় পানি ঢেলে, চামচ দিয়ে আঘাত করলে থালা কাঁপে এবং পানিতে ঢেউ তৈরি হয়। কিন্তু শক্তভাবে ধরে রাখলে শব্দ শোনা যাবে না।
উপরোক্ত পরীক্ষাগুলো থেকে বোঝা যায় যে, কোনো বস্তুর কম্পনের কারণে শব্দ উৎপন্ন হয়, এবং শব্দের উৎস হলো কম্পনশীল বস্তু।
শব্দ এক প্রকার শক্তি, যা আমাদের কানে শ্রবণের অনুভূতি জন্মায়। এখানে আমরা কিছু কাজ করব যা থেকে বোঝা যাবে শব্দ কীভাবে উৎপন্ন হয়। তোমাদের স্কুলের ঘণ্টা যখন বাজানো হয়, তখন তা স্পর্শ করে দেখ। ঘণ্টাটি যে কাঁপে তা কি অনুভব করতে পার?
কাজ: শব্দের উৎপত্তির কারণ জানা। কাজ: শব্দের উৎপত্তির কারণ জানা। এখনও কি শব্দ শুনতে পাচ্ছ? না, শব্দ শোনা যায় না। থালাটিকে আবার আঘাত কর এবং পানির দিকে তাকাও। পানিতে কি কোনো ঢেউ দেখছ? থালা কাঁপার ফলে পানি কাঁপছে এবং পানিতে ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে। |
উপরের কাজগুলো থেকে আমরা জানতে পারলাম যে, কোনো বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ সৃষ্টি হয়। কম্পনশীল যে বস্তু শব্দ সৃষ্টি করে, তাই হলো শব্দের উৎস।
Read more